অ্যামাজন একাউন্ট টারমিনেট হওয়া এবং তার সলিউশন
· ·
অ্যামাজন একাউন্ট টারমিনেট হওয়া এবং তার সলিউশন
আমার 7-8 বছরের পুরোনো এসোসিয়েট একাউন্টটি ২০২৩ সালের অক্টোবরে আমাজন ক্লোজ করে দেয়। অন্যদের মতো হ-য-ব-র-ল কারণ দেখিয়ে তারা একাউন্ট ক্লোজ করে দেয় যা আমার কাছে সম্পূর্ণ অমানবিক ও অন্যায় মনে হয়েছে,কারণ আমার একাউন্টি যথেষ্ট পুরানো ছিল।
এখানে আমি অ্যামাজন অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়া এবং কিভাবে পুনরায় একাউন্ট করা যায় সে সম্পর্কে একটা প্রাথমিক ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করব। আরো কিছু জানার দরকার হলে নিচে কমেন্ট করতে পারেন, আমি সময় মত উত্তর দেয়ার চেষ্টা করব।
সম্প্রতি আমাজন একাউন্ট কেন এত বেশি পরিমাণে বন্ধ হচ্ছে?
এর সুনির্দিষ্ট কোন কারণ নেই!
আসলে আমাজনের যত নিয়ম কানুন আছে সেগুলো যেমন ১০০% বোঝাও সম্ভব না সেগুলো মেইনটেইন করে সাইট করাও সম্ভব না তাই amazon যদি মনে করে যে আপনার অ্যাকাউন্ট যে কোন সময় যেকোনো কারণে বন্ধ করে দিবে সেটা তারা করতে পারে। এছাড়া তাদের নিয়ম আছে যে, কোন কারণ ছাড়াই যে কোন সময় অ্যাকাউন্ট ক্লোজ করে দিতে পারে।
আমার রিসার্চে শুধু বাংলাদেশের অ্যাকাউন্ট হোল্ডারদের গণহারে টারমিনেট করা বা ব্যান্ড করা হচ্ছে অন্য দেশে এই হারে অ্যাকাউন্ট ব্যান্ড হয়েছে বা হচ্ছে এরকম কোন তথ্য আমি পাইনি; হলেও হতে পারে সেটি আামার জানা নেই।
আমার কাছে মনে হয়েছে বাংলাদেশকে টার্গেট করে তারা অ্যাকাউন্ট ব্যান্ড করছে এবং হতে পারে এটা তারা ইনটেনশনালি করছে বা সিস্টেমগত কোন ত্রুটির কারণে হতে পারে।
আমি যেভাবে এর সমাধান করেছি:
আমার একাউন্টে তিনটে সাইট ছিল। পুরনো দুটি সাইট নিয়ে আমি নতুন অ্যাকাউন্ট করি (একটি সাইটের মান ভাল না হওয়ায় সেটি বাদ দিয়েছি)। অ্যাকাউন্টে তৈরিতে সম্পূর্ণ নতুন তথ্য ব্যবহার করি। ওটিপির জন্য গুগোল এ্যাথেনটিক অ্যাপ নামিয়ে নিয়েছি।
আমি আমার পুরনো ল্যাপটপে, পুরনো রাউটারে, পুরনো ইন্টারনেট আইপিতেই নতুন একাউন্ট করি, শুধু ব্রাউজারটা নতুন করে নেই।
পুরনো পেওনিয়ার একাউন্টে নতুন একটি রিসিভিং অ্যাকাউন্ট তৈরি করি। পেওয়ারকে বললেই তখনই ওরা করে দিবে। নতুন রিসিভিং একাউন্টি অ্যামাজনে এড করি এবং গত মাসে অর্থাৎ ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম পেমেন্ট পাই।
সমস্যা:
অনেকেই পুরোনো সাইট দিয়ে নতুন করে একাউন্ট করে চালাতে পারছেন না। দুঃখিত, এর সলুসোন আমার জানা নেই। তবে পুরোনো সাইটটি নতুন ডোমেইনে রিডাইরেক্ট করে ট্রাই করতে পারেন।
কৃতজ্ঞতা:
অক্টোবরে আমার একাউন্ট ব্যান হওয়ার পরে যারা আমাকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছিলেন তাদের প্রতি আমি চির কৃতজ্ঞ ও ধন্যবাদ জানাই।
বর্তমান বাস্তবতা:
আমি মনে করি বর্তমান প্রেক্ষাপটে amazon এবং google কোনটারই নির্ভরযোগ্যতা আর নেই বিশেষ করে অ্যামাজনের অ্যাফিলিয়েটের জন্য। কারণ অ্যামাজন যেকোন সময় আমার অ্যাকাউন্ট আবারও ব্যান করে দিতে পারে এবং google এর কথা না হয় নাই বলি। এটি শুধুমাত্র আমার ব্যক্তিগত মতামত যার সাথে অনেকেই এক মত নাও হতে পারেন।
সবাই ভাল থাকবেন, ধন্যবাদ।
No comments